এই ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড কারিকুলাম প্রস্তুত করা হয়ে শিশু, তাদের পরিবার এবং স্কুলগুলোর জন্য। প্যারেন্ট জোনের সহযোগিতায় এটি তৈরি করেছে টেলিনর গ্রুপ।
টেলিনর
এই ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড কারিকুলাম প্রস্তুত করা হয়ে শিশু, তাদের পরিবার এবং স্কুলগুলোর জন্য। প্যারেন্ট জোনের সহযোগিতায় এটি তৈরি করেছে টেলিনর গ্রুপ।
টেলিনর
টেলিনর গ্রুপ স্ক্যান্ডিনেভিয়া এবং এশিয়ার অগ্রনী টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান। দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক পরিচলনে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং সামাজিক ক্ষমতায়নে আমরা বদ্ধপরিকর। এই লক্ষ্যে কাজ করার উদ্দেশ্যে আমরা জাতিসংঘের ১০ নং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল, অসাম্য দূরীকরনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেছি।
যোগাযোগ স্থাপনায় গত ১৬০ বছর ধরে কাজ করছে টেলিনর। আমাদের উদ্দেশ্য হলো গ্রাহকদেরকে তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনগুলোর সাথে সংযুক্ত রাখা। আমাদের দায়বদ্ধতার অন্যতম দিক হচ্ছে অরক্ষিত জনগোষ্ঠীদের সুরক্ষা প্রদান এবং সংযোগের মাধ্যমে তাদের সর্বোচ্চ সুবিধা প্রদান করা।
অভিজ্ঞ সহযোগিদের সাহায্যে আমরা শিশু কিশোর ও তরুণদের সহ শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে সুরক্ষিত যোগাযোগের অপরিহার্যতা তুলে ধরার ব্যাপারে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করছি। আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সাইবার বুলিং প্রতিরোধ করে তরুণদের জন্য অনলাইন পরিবেশকে আরো সুরক্ষিত করে তোলা।
টেলিনর “টিইএল” শীর্ষে অসলো স্টক এক্সচেঞ্জ এর অন্তর্ভূক্ত। বিস্তারিত তথ্যের জন্য: www.telenor.com
প্যারেন্ট জোন
ডিজিটাল পারিবারিক জীবনে প্যারেন্ট জোন বিশেষজ্ঞ। প্রতিষ্ঠানটি পুরো পৃথিবী জুড়ে পরিবারগুলোকে সুরক্ষা এবং আস্থার সাথে ইন্টারনেট ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে অভিভাবক, শিশু কিশোর এবং স্কুলগুলেকে তথ্য ও সহায়তা প্রদান করে থাকে।
শিশু কিশোর এবং পরিবারের উপর নতুন প্রযুক্তির ব্যাপরে জানতে, বুঝতে এবং প্রভাব তুলে ধরতে তারা প্রতিনিয়ত অভিভাবক, স্কুল, সরকার এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে কাজ করে।
টেলিনরের জন্য প্যারেন্ট জোন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড কারিকুলাম তৈরি করেছে শিশুদের জন্য শিক্ষণীয় উপাদান তৈরির অভিজ্ঞতা থেকে। এর মধ্যে রয়েছে ডাউনলোডযোগ্য উপাদান এবং একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ গেম।
তাদের ও তাদের কাজের ব্যাপারে আরো জানতে দেখুন www.parentzone.org.uk অথবা ইমেইল করুন info@parentzone.org.uk
About Grameenphone
২৩ বছর আগে মোবাইল ফোন সেবাকে মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ভেতরে নিয়ে আসার মাধ্যমে শুরু হয়েছিলো গ্রামীণফোনের পথচলা। লক্ষ্য ছিলো দেশের প্রতিটি মানুষের হাতে মোবাইলফোন সেবা পৌঁছে দেয়া।
আজকে গ্রামীণফোন দেশের এক নম্বর নেটওয়ার্ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত এবং তারা মানুষের জীবনধারা ডিজিটাল বিপ্লবের আওতায় আনাসহ সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের ভেতরে থাকা সত্যিকারের সম্ভাবনা নিয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। গ্রামীণফোন বিশ্বাস করে প্রযুক্তির মাধ্যমে সবকিছু সম্ভব আর তাই বিগত কয়েক বছর ধরেই তারা চেষ্টা করছে সমাধান নির্ভর সেবা প্রদানের। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রামীণফোন দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ফোরজি নেটওয়ার্ক সাথে নিয়ে বেশ কিছু সময়োপযোগী ডিজিটাল সমাধান গ্রাহকদের প্রদান করছে। এর ভেতর উল্লেখযোগ্য সমাধানগুলো হলো- MyGP অ্যাপ যা গ্রাহককে দেয় লাইফে বেটার কন্ট্রোল, GPMusic ও Bioscope যা গ্রাহকের সকল বিনোদোনের চাহিদা পূরণ করে, Tonic যা গ্রাহকের স্বাথ্যসেবা নিশ্চিত করে এবং GPay যার মাধ্যমে গ্রাহক যেকোনো বিল প্রদান করতে পারেন। সর্বাধুনিক VoLTE প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রামীণফোন নেটওয়ার্ক-এ কথা বলার অভিজ্ঞতা হয়েছে আরো উন্নত। এছাড়াও দেশের উন্নয়নে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য গ্রামীণফোন তৈরি করেছে GP Accelerator এর মতন একটি প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সংমিশ্রনে তৈরি হওয়া নতুন চিন্তা একসাথে ছড়িয়ে দেয়া হয় পুরো দেশে।
গ্রাহকদের সাথে গ্রামীণফোনের বিশ্বস্ততার এই দীর্ঘ যাত্রায় তারা অর্জন করতে পেরেছে গ্রাহকদের অবিচল আস্থা। গ্রামীণফোনের “017” সিরিজের নম্বরের অকল্পনীয় চাহিদা এবং স্বল্পতার জন্য গ্রামীণফোন বর্তমানে 017 এবং 013 এই দুটি সিরিজের নম্বরের মাধ্যমে দেশের মানুষকে টেলিকম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে।
About UNICEF
বাংলাদেশে ১৯৫২ সাল থেকে কাজ করছে ইউনিসেফ। বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশে ১৬ কোটি মানুষের বসবাস, যাদের ৪০ শতাংশই শিশু। শিশু বিষয়ক কাজে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে ইউনিসেফ এই উন্নয়নশীল অথচ ঘনবসতিপূর্ণ দেশটিতে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তরুণদের সহায়তা দিয়ে থাকে।বাংলাদেশের আটটি বিভাগীয় ফিল্ড অফিসের মাধ্যমে আমরা এদেশের ৬৪ জেলার মানুষের মাঝে কাজ করে যাচ্ছি।
বাংলাদেশে আমরা লাইফ সাইকল অ্যাপ্রোচে কাজ করি, যেখানে জন্মের পর থেকে বয়ঃসন্ধিকাল পর্যন্ত শিশুরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হয় সেগুলো দূর করার চেষ্টা হয়। এ পদ্ধতিতে কয়েকটি বিষয়কে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করা হয়: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিশু সুরক্ষা, পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও পরিচ্ছন্নতা, উন্নয়নের জন্য কমিউনিটিভিত্তিক কার্যক্রম, যোগাযোগ, শিশু অধিকারের পক্ষে কথা বলা, এক্ষেত্রে অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে মিলে কাজ করা এবং জরুরি প্রয়োজনে সাড়া দেওয়া।
ইউনিসেফের পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে।তারাই আমাদের সবচেয়ে বড় অংশীদার, যেহেতু ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে যাত্রা শুরু করেছে সরকার।
