এখানে আপনি অনলাইন সুরক্ষার সম্পর্কে জানতে পারবেন। পাশাপাশি এই সাইটের বিষয়বস্তু কিভাবে ব্যবহার করবেন এবং আপনার শিশুকে কিভাবে ডিজিটাল দুনিয়াতে সুরক্ষিত থাকার জন্য গড়ে তুলবেন তাও জানা যাবে।
‘ডিজিটাল রেসিলিয়েন্স’ বা ডিজিটাল সুরক্ষা কি?
“অনলাইনে ঠিক কি কি কারনে কেউ ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে এবং তা থেকে উত্তরণের উপায় ও নিরাপদে থাকাকেই বলা হয় ডিজিটাল রেসিলিয়েন্স।”
যে শিশুটির ‘ডিজিটাল রেসিলিয়েন্স’ সম্পর্কে জানে সে :
– বুঝতে পারবে সে কখন অনিরাপদ পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে
– বুঝতে পারবে তার কখন সাহায্য দরকার
– অভিজ্ঞতা থেকে শিখবে
– সত্য/মিথ্যা যাচাই করতে পারবে
*সূত্রঃ ইউকে কাউন্সিল ফর চাইল্ড ইন্টারনেট সেফটি (ইউকেসিসিআইএস) রেসিলিয়েন্স গ্রুপের সংজ্ঞা
ওয়েবসাইট আর গেমস যেভাবে ব্যবহার করবেন
আরো জানুন…
ডিজিটাল সুরক্ষা বা ডিজিটাল দুনিয়ায় সুরক্ষিত থাকা কেন প্রয়োজন?
যেসব শিশুরা অনলাইনে সুরক্ষিত থাকার উপায় জানে তারা যেকোন অনাকাঙ্খিত ঘটনায় অন্য শিশুদের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এটা আসলে কোন প্রাকৃতিক দক্ষতা নয়, এটা শিখিয়ে দিতে হয়। একজন ভালো অভিভাবকই এই বিষয়টি সঠিকভাবে শিশুদেরকে শেখাতে পারে। ডিজিটাল পাঠ্যক্রম: নিচের প্রশ্নোত্তর থেকে ডিজিটাল সুরক্ষার বেশ কিছু দিক সম্পর্কে জানা যাবে যা শিশুদের ডিজিটাল দুনিয়ার বিভিন্ন দিক বুঝতে সাহায্য করবে।আমি ডিজিটাল দুনিয়া সম্পর্কে তেমন কিছুই জানিনা। আমি কিভাবে আরো জানতে পারি?
এই লাইব্রেরীতে ডিজিটাল জগত সম্পর্কে প্রচুর তথ্য আছে যা সহজ ও বোধগম্য সংজ্ঞার মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে এবং এটি পড়লে অভিভাবক হিসেবে আপনার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যাবে।আমি আমার শিশুর সাথে ইন্টারনেট নিয়ে কেন কথা বলবো? আর কি ই বা বলবো?
প্রাপ্তবয়স্কদের কাছ থেকে এ বিষয়ে সহায়তা পাওয়া শিশুদের জন্য খুব জরুরী। এমনকি যদি আপনার মনে হয় আপনি এ বিষয়ে যথেষ্ট পরিমানে জানেন তারপরেও শিশু-কিশোরদের সাথে কথা বললে আপনি অনেক নতুন কিছু জানতে পারবেন। তারা অনলাইনে কি করতে পছন্দ করে এবং কি ধরনের ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহার করে তা নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। তাছাড়া, আপনি এই পাঠ্যক্রমটি একবার দেখে নিতে পারেন যাতে যেকারো সাথে কথা বলার আগে আপনার নিজের জ্ঞান ও একটু ঝালিয়ে নেয়া হলো। এখানে আপনি শিখতে পারবেন কিভাবে অল্পবয়ষ্কদের সাথে ইন্টারনেট বিষয় নিয়ে কথা বলতে হয়।আমার শিশু ইন্টারনেটে কি করে এটা নিয়ে আমি বেশ চিন্তিত। আমি কি করতে পারি?
শিশুদের সাথে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলার অভ্যাস থাকা ভালো। এতে শিশুদের কোন সমস্যা হলে তারা সহজেই বাবা মা’র সাথে কথা বলতে পারে। এতে তাদের সমস্যার সমাধান সহজে হয়। এই পাঠ্যক্রম এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে শিশু-কিশোররা অনলাইনে নিরাপদ থাকার সকল উপায় সম্পর্কে জানতে পারে। আপনার শিশুর সাথে আপনার সম্পর্ক এমন হওয়া উচিত যাতে শিশু যেকোন বিব্রতকর সমস্যায় পড়লে আপনার শরণাপন্ন হয়। এজন্য আপনার সাথে আপনার শিশুর যোগাযোগ বাড়ানো দরকার।আমার সন্তান সারাক্ষনই স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকে- এটা কি দুশ্চিন্তার বিষয় নয় ?
আসলে এক্ষেত্রে স্ক্রিনের দিকে কতক্ষন তাকিয়ে আছে তার চেয়ে স্ক্রিনে কি করছে সেটা জানা বেশী জরুরি। তারা কি আসলে পড়ার জন্য/গবেষণার জন্য/হোমওয়ার্ক করার জন্য ব্যবহার করছে? নাকি বন্ধুদের সাথে যোগাযোগের জন্য বেশী ব্যবহার করছে? অথবা সে অনলাইনে গেমস খেলছে? এ বিষয়ে তাদের সাথেই কথা বলা উচিত। স্ক্রিন টাইম নিয়ে আরো তথ্য পেতে ডক্টর অ্যান্ড্রু জিবিলিস্কির অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইন্সটিউট থেকে প্রকাশিত গবেষণাটি পড়তে পারেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন ঠিক কতটুকু ‘স্ক্রিন-টাইম’ আসলে আমাদের জন্য পর্যাপ্ত। ।আমার মনে হয় আমার সন্তান অনলাইনে কাউকে ‘বুলি’ করছে। আমার কি করা উচিত?
এই পাঠ্যক্রমে দেখানো হয়েছে কিভাবে অনলাইনে ভালো ও ভদ্র ব্যবহার করতে হয়। আপনি আপনার সন্তানকে বুঝিয়ে বলতে পারেন যে তার ব্যবহারের দ্বারা আরেকজন মানুষের জীবনে কি ধরনের খারাপ প্রভাব পড়ছে। অন্য মানুষের মনে কষ্ট দেয়ার নেতিবাচক দিকগুলো তাকে বুঝিয়ে বলতে পারেন।আমার সন্তান যদি অচেনা কারো দ্বারা ‘বুলিং’ এর শিকার হয় তাহলে কি করা উচিত?
খারাপ কোনো মেসেজ পেলে যদিও সেগুলো ডিলেট করে ফেলতে ইচ্ছে হয়, কিন্তু প্রমান হিসেবে সেগুলো সেভ করে রাখা খুব জরুরী। প্রয়োজনে স্ক্রিনশট নিয়ে রাখতে পারেন। যে সাইটের মাধ্যমে এটা ঘটছে সেখানে রিপোর্ট করতে পারেন। যে ‘বুলিং’ করছে তাকে ব্লক করতে পারেন যেন সে আর কখনোই আপনার সন্তানের সাথে যোগাযোগ করতে না পারে। সাইবারবুলিং, নিয়ন্ত্রণ, রিপোর্টিং ও ব্লকিং-এর বিষয়গুলো লাইব্রেরিতে বিস্তারিত দেয়া আছে।একটা ওয়েবসাইটে কীভাবে একজন ব্যক্তিকে ব্লক করবো বা তার সম্পর্কে অভিযোগ করবো?
একটি নির্ভরযোগ্য এবং নিরাপদ ওয়েবসাইট হলে অবশ্যই এ ধরনের ব্যবস্থা তাদের থাকবে এবং কীভাবে এগুলো করা যাবে তা নিয়েও নির্দেশনা দেয়া থাকবে। এ বিষয়ে আপনার সন্তানের (বয়সের উপর ভিত্তি করে) সাথে বসে আলাপ করতে পারেন এবং কীভাবে এই কাজগুলো করা যায় সে তা শিখে নিতে পারেন। এ সম্পর্কিত আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন লাইব্রেরিতে। অভিভাবক জোন এই ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য এবং নির্দেশনা দেয়া আছে।প্রাইভেসি সেটিংস, টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন এবং অ্যাড ফিল্টার কীভাবে করতে হয় সেটা সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা পাবো কোথায়?
প্রাইভেসি সেটিংস এবং টু-স্টেপ ভেরিফিকেশনের বিস্তারিত জানার জন্য লাইব্রেরিতে খোঁজ করুন। অভিভাবক জোন ওয়েবসাইটিতে বিস্তারিত এবং সহজ নির্দেশনা দেয়া আছে কিভাবে জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া অ্যাপস এবং ওয়েবসাইটেগুলোতে ফিল্টার ও প্রাইভেসি সেটিংস করতে হয়।
গেম, রিসোর্স এবং ওয়েবসাইট যেভাবে ব্যবহার করতে হবে:
স্মার্টফোনের মাধ্যমে কুইজ খেলায় অংশগ্রহন করা যাবে কি?
হ্যা। ইন্টারএক্টিভ গেম এবং কুইজে অংশগ্রহন করা যাবে স্মার্টফোনের মাধ্যমে। ওয়েবসাইটে প্রদানকৃত গেম এবং রিসোর্স আপনি যেকোনো স্মার্টফোন থেকেই অপারেট করতে পারবেন ইন্টারনেট সংযুক্তি থাকলে।
অফলাইনে কারিকুলাম ব্যবহার করা যাবে কি?
ইন্টারএক্টিভ কুইজ অফলাইনে ব্যবহার করা যাবেনা। তবে ওয়ার্কশিট, লাইব্রেরির তথ্য, চ্যালেঞ্জসমূহ এবং বহু নির্বাচনী প্রশ্ন সম্বলিত কুইজগুলো ডাউনলোড বা সেভ করে রাখা যাবে অফলাইনে ব্যবহারের জন্য।
ইন্টারএক্টিভ গেম কী?
ইন্টারএক্টিভ গেম নিজস্ব ভঙ্গিতে শিশুদের বিশ্লেষণী ক্ষমতা এবং তাদের বিকাশে সহায়তা করে।
গেমগুলোতে কিছু স্বল্পদৈর্ঘ্য এনিমেশন দেখানো হয় এবং তার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সহজ সহজ কুইজের আয়োজন করা হয়, এর ফলে শিশুর জ্ঞান অর্জন এবং শিক্ষনের প্রক্রিয়া সহজ ও মজাদার হয়।তিনটা স্তর বা পর্যায়ে এই গেম বিভক্ত। প্রতিটি স্তরই ক্রমাণ্বয়ে জটিল হয় এবং আগের স্তরে যা যা শেখানো হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে গড়া হয়।
খেলার এই বিভিন্ন স্তর ৭-১৬ বছর বয়সী শিশুদের জন্য। ৫-৬ বছরের শিশুদের জন্যও একটি আলাদা সেকশন রয়েছে।
*যদিও প্রতিটা স্তরের জন্য আলাদা আলাদা বয়সসীমা রয়েছে যা ৭-১৬বছরের মধ্যে যেকেউ খেলতে পারবে। তবে কে কোন স্তরে অংশগ্রহণ করবে সেটা ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড সম্পর্কে তাদের জ্ঞানের উপরেও নির্ভর করে। লাইব্রেরি এক্সেসের ফলে আরও শেখার সুযোগ রয়েছে। পুনরায় একই কুইজে অংশগ্রহন করার সুযোগও রয়েছে।
পুরস্কার এবং স্বীকৃতি
একটি কুইজ জেতার পরে বিজয়ীকে একটি ডিজিটাল ব্যাজ প্রদান করা হবে। প্রতিটি স্তরে বিজয়ী হয়ে প্রতিটি ব্যাজ সংগ্রহ করতে পারলে বিজয়ী পাবে একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট, যেটার মাধ্যমে বিজয়ীর যোগ্যতা এবং কী কী শিখেছে তা সব বিস্তারিত লেখা থাকবে, যা ভবিষ্যতে মূল্যবান সম্পদ হিসেবে তারা ব্যবহার করতে পারবে।
কারিকুলামটি কী সব বয়সের জন্য উপযুক্ত?
হ্যা। খেলার সব ধরনের কন্টেন্টই ৫-১৬ বছর বয়সসীয়ার মধ্যে শিশুদের জন্য উপযোগী করে তৈরী করা। ৫-৬ বছর বয়সী শিশুদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও আছে। একজন অংশগ্রহনকারী কোন স্তরে অংশগ্রহন করবে সেটি নির্ভর করবে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড সম্পর্কে তাদের পূর্ব অভিজ্ঞতার উপর। খেলার সব কন্টেন্টই ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের উপযোগী করেই তৈরী করা।
আমার সন্তান কি কারিকুলামের তিনটি স্তরই সম্পূর্ণ করতে পারবে?
হ্যা। শিক্ষার্থীরা কুইজে পুনরায় অংশগ্রহন করতে পারবে এবং যদি কেউ সবগুলো প্রশ্নের জবাব সঠিকভাবে দিতে পারে তাহলে ক্রমান্বয়ে প্রতিটি স্তরই পার করতে পারবে।
এখানে বয়স তেমন কোনো বড় বাধা নয় যদি কেউ সবগুলো প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারে। যেকোনো তথ্য জানতে লাইব্রেরির সাহায্য নিতে পারবে কুইজে অংশগ্রহন করার আগে। সবগুলো কন্টেন্টই সব বয়সের জন্য উপযুক্ত। অংশগ্রহনকারী কোন স্তর থেকে খেলা শুরু করবে সেটা দেশভেদে পরিবর্তনও হতে পারে।
আমার বাচ্চার জন্য কুইজের প্রশ্ন বেশি কঠিন। কীভাবে এ ব্যাপারে তাকে সাহায্য করা যায়?
কারিকুলামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে লাইব্রেরি বিভাগে সকল তথ্য দেয়া আছে। একজন অংশগ্রহনকারী যদি যথেষ্ঠ পরিমানে সঠিক উত্তর দিতে না পারে, তাহলে লাইব্রেরি আছে তার সাহায্যের জন্য, এখান থেকে সকল প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে আবার কুইজে অংশগ্রহন করতে পারবে। অথবা, আগের স্তরে গিয়েও পুনরায় অংশগ্রহন করতে পারবে এবং সেখানের প্রশ্নগুলো ঠিকভাবে উত্তর করতে পারে কিনা তাও দেখে নিতে পারবে।
কারিকুলাম সম্পূর্ণ করতে কীভাবে আমার বাচ্চাকে সাহায্য করতে পারি?
অভিভাবক এবং শিক্ষক হিসেবে অনেক উপায় আছে কারিকুলামে সাহায্য করার। লাইব্রেরির তথ্যগুলো পড়তে ও বুঝতে আপনার বাচ্চাকে সাহায্য করুন। ওয়ার্কাশিটগুলো একসাথে শেষ করতে পারবেন, এক্ষেত্রে সে উপকৃত হবে। তার সাথে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমেও তাকে সাহায্য করতে পারেন।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও আলাদা একটি বিশেষ স্তর রয়েছে, আপনি নিজেও সেখানে অংশগ্রহন করতে পারেন ইচ্ছুক হলে।
স্তর বা খেলার পর্যায়গুলোর মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
প্রতিটি স্তরেই ক্রমান্বয়ে জটিলতা বৃদ্ধি পায় এবং শিশুদেরকে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড সম্পর্কে আরও গভীর ধারনা দেয়।
স্তর ১- শনাক্তকরণ
এই স্তরে শিশুদেরকে সহজ কিছু ম্যাসেজের মাধ্যমে শিক্ষাদান করা হয়। এখানে তাদেরকে বুঝানো হয়, কীভাবে একটি ইতিবাচক বা নেতিবাচক মেসেজ শনাক্ত করা যায়।
উদাহরণস্বরূপ, “একটি ইতিবাচক ও একটি নেতিবাচক ম্যাসেজ শনাক্ত কর:
ছিঃ তোমাকে একদম জঘন্য লাগছে দেখতে!
তুমি একটা অপদার্থ!
তোমার খারাপ লাগছে একারনে আমি দুঃখিত।আশা করি তোমার দিনটা কাল ভালো কাটবে।”
স্তর ২- ব্যাখ্যা
এই স্তরে একজন শিশুকে শিক্ষা দেয়া হয় কখন একটি মেসেজ নেতিবাচক বা ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ স্তরে আরও জটিল ভাষা এবং বাস্তব জীবনের উদাহরণ দিয়ে তাদেরকে বিষয়টি শেখানো হবে।
উদাহরণস্বরূপঃ
অনলাইনে কথা বলার সময় ব্যক্তি আমাদের সামনে থাকেনা, যেকারনে খুব সহজের একটা বার্তা বা ম্যাসেজের নেতিবাচক ব্যাখ্যা তৈরী করা সম্ভব, যেহেতু আমরা সরাসরি শুনিনা বা দেখিনা যে কথাটি কীভাবে বলা হচ্ছে। নিচের মেসেজগুলো কি আসলেই নেতিবাচক নাকি ভুল বুঝাবুঝির ফলাফল?
“তুমি দেখতে জঘন্য, আমি তোমার মত না এটা ভেবে খুবই আনন্দ লাগছে”।
“হুমমম… এই ছবিটা অস্বাভাবিক”
“তোমার ওই ছবিটা খুব মজার”
স্তর ৩- মূল্যায়ণ
এই স্তরের শিক্ষার্থীরা বিশ্লেষনের মাধ্যমে মূল্যায়ন করবে যে কোন অপশনটি কীভাবে ব্যাখ্যা করার যায়। এটি একটু বড়দের জন্য এবং যাদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা রয়েছে বেশি উপযুক্ত।
উদাহরণস্বরূপঃ
নিচের ম্যাসেজটি পড় এবং নির্ধারণ কর এটি কোন ক্যাটাগরিতে পরে-
“আমি বিশ্বাসই করতে পারিনা তুমি এত বিখ্যাত। তোমার সবগুলো ছবিই খুব জঘন্য। এত মাথা ঘামানোর কিছু নেই এটা নিয়ে”-
ক ) সাইবার বুলিং খ ) কোনো বন্ধুর জন্য বিরক্তিকর গ ) ট্রলিং
আমার বাচ্চার নাম কেন যুক্ত করতে হবে?
ইন্টারএক্টিভ গেমস যেকোনো ডিভাইস থেকে সর্বোচ্চ তিনজন অংশগ্রহনকারী খেলতে পারবে। আপনার বাচ্চার নামটি যুক্ত থাকলে, পরবর্তীতে যখন আবার খেলতে বসবে তখন এটি শনাক্ত করতে সুবিধা হবে যে স্তরে খেলা ছেড়ে উঠেছিলো এবং আবার সেখান থেকেই খেলা চালু করতে পারবে অথবা পিছনের কোনো স্তরের কুইজে আবার অংশগ্রহন করতে পারবে। আপনার বাচ্চার নাম বা তথ্য অন্য কোথাও জমা রাখা হবেনা বা অন্য কারও কাছে পাঠানোও হবেনা, এটি শুধু যে ডিভাইস থেকে খেলা হবে সে ডিভাইসেই জমা থাকবে। নাম এবং খেলার প্রগ্রেস যেকোনো সময়েই ডিলিট করা যাবে ডিভাইস থেকে।
আমার বাচ্চার বয়স জানাতে হবে কেন?
বাচ্চার বয়স জানা খুবই গুরুত্বপুর্ণ একটি অংশ, কারন কারিকুলামের বড় অংশই বয়সের উপর নির্ভর করে বানানো হয়েছে , বয়স জানতে না পারলে আপনার বাচ্চার জন্য কোন স্তরটি উপযুক্ত হবে সেটি নির্ধারণ করা সম্ভব হবে না। ৫-৬বছর বয়সী বাচ্চাদের জন্য বিশেষ লার্নিং জোন রয়েছে, ৭-১৬ বছর বয়সীদের জন্য আলাদা জোন রয়েছে, সুতরাং বয়স জানলে সেশনগুলো ভাগ করে দিতে সুবিধা হয়।
আমার বাচ্চার ব্যক্তিগত তথ্য এবং ব্যক্তিগত ডেটা কি আপনারা সংগ্রহ করবেন?
আমাদের কুইজে কতজন অংশগ্রহন করছে সেটা জানার জন্য আমরা গুগল এনালিটিক্স ব্যবহার করি। আপনার শিশুর নাম এবং বয়স তার ডিভাইসেই স্টোর করা থাকে, শুধুমাত্র খেলায় অংশগ্রহন বা লাইব্রেরিতে পড়ার সময় “পড়ড়শরব” এর সাহায্যে আমরা তার নাম শনাক্ত করি, যেন শেষবার সে গেমটির যে স্তরে ছিলপুনরায় সেই স্তর থেকেই তাকে শুরু করতে দেয়া যায়। আর বয়সের তথ্য গুগল এনালিটিক্স ব্যবহার করে বের করা হয়, কোন বয়সের অংশগ্রহনকারী আমরা বেশি পাচ্ছি, সে অনুযায়ী আমাদের গেমস ডিজাইন ও কন্টেন্ট ডিজাইন করা হয়, তবে সেখানে নামের কোনো ব্যবহার নেই।
